স্ট্রোক এর কারণ, প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় জানা আছে কি?

মাহমুদা রোজী · Oct 15, 2023 · 1 min read

স্ট্রোক এর কারণ, প্রাথমিক লক্ষণ ও প্রতিরোধের উপায় জানা আছে কি?

শিপলুর বিয়ের দাওয়াতে যেয়ে হঠাৎ করেই আমার খালা বসা থেকে মেঝেতে পড়ে গেলেন। প্রচন্ড গরমে অজ্ঞান হয়ে গেছে ভেবে সবাই তার মুখে পানির ঝাপটা দিতে শুরু করে। পাশাপাশি ঠান্ডা বাতাসের মধ্যে তাকে নিয়ে বিশ্রামের ব্যবস্থা করা হয়। একটু চোখ খুললে তাকে বাসায় বিশ্রাম নিতে পাঠিয়ে দেওয়া হয়। বাসায় নেওয়ার পর তার অবস্থা আরো খারাপ হয়ে যায় আর তখনই হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জানা যায় তিনি বিয়ের অনুষ্ঠানেই 'স্ট্রোক' করেছেন। বর্তমানে তার শরীরের এক পাশ অবশ হয়ে গেছে। স্ট্রোক এর কারণ, লক্ষণ জেনে নেওয়া আমাদের সবার জন্যই জরুরি।

এই শব্দটি আমাদের খুব পরিচিত, তাই না? প্রায়ই আমরা পরিচিত মানুষের মাঝে কেউ স্ট্রোক করেছে শুনতে পাই। এই রোগটি সম্পর্কে কতটা জানেন? স্ট্রোক কী, কেন হয়, প্রতিকার ও প্রতিরোধ সম্পর্কে জানা থাকলে আপনি কিংবা আপনার পরিবারের প্রিয় মানুষটিকে খুব সহজেই বাঁচাতে পারবেন। আসুন জেনে নেই এই রোগের আদ্যোপান্ত।

স্ট্রোক আসলে কী?

এটি একটি ভয়াবহ স্বাস্থ্য সমস্যা। মস্তিষ্কে রক্ত সঞ্চালন বাঁধা পেলে বা ব্যাহত হলে, যখন রক্ত জমাট বেধে ধমনীকে ব্লক করে দেয়, তখন অক্সিজেনের অভাবে মস্তিষ্কের কোষগুলো ডেড হয়ে যায় এবং মস্তিষ্কের কার্যকরী ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। এটিই হচ্ছে স্ট্রোক।

স্ট্রোক এর কারণ

স্ট্রোক কোথায় হচ্ছে, মস্তিষ্কের কতটুকু আক্রান্ত হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে পরবর্তী ব্যবস্থাপনা। এই ঘটনাটি যেকোনো বয়সের যেকোনো মানুষের সাথে হতে পারে। নারীদের তুলনায় পুরুষরা এ রোগে বেশি আক্রান্ত হয়ে থাকে। মাইল্ড স্ট্রোক অর্থাৎ স্ট্রোকের পরিমাণ যদি কম হয়, তবে শুধুমাত্র হাত ও পায়ে দুর্বলতা দেখা দিতে পারে। কিন্তু স্ট্রোকের পরিমাণ বেশি হলে শরীরের একাংশ প্যারালাইসিস বা অবশ হয়ে যেতে পারে। এই সময় রোগী কথা বলার ক্ষমতাও হারিয়ে ফেলে। এবার কখনও কখনও এই অবস্থায় রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।

প্রকারভেদ

স্ট্রোক এর দু’টি প্রাথমিক প্রকার রয়েছে-
  • ইস্কেমিক স্ট্রোক
  • হেমোরেজিক স্ট্রোক

১. ইস্কেমিক স্ট্রোক: মস্তিষ্কে অক্সিজেনের অভাবে রক্ত সঞ্চলনে ব্যাহত হওয়ার কারণে যে স্ট্রোক দেখা দেয় তা হলো ইস্কেমিক স্ট্রোক। সাধারণত এই ধরনের স্ট্রোক বেশি হতে দেখা যায়। এক গবেষণায় জানা গেছে প্রায় ৮৭% ক্ষেত্রেই ইস্কেমিক স্ট্রোক হয়।

২. হেমোরেজিক স্ট্রোক: এই ক্ষেত্রে মস্তিষ্কে রক্তনালী ফেটে যেয়ে রক্তক্ষরণ হলে তাকে হেমোরেজিক স্ট্রোক বলা হয়। এই ধরনের স্ট্রোক সাধারণত কম হলেও এটি কিন্তু বেশ গুরুতর। এটি যখন ঘটে তখন রক্তপাত মস্তিষ্কের টিস্যুকে সংকুচিত করে এবং মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যকারিতা ব্যাহত করে।

ইস্কেমিক স্ট্রোক

স্ট্রোক এর কারণ

১. উচ্চ রক্তচাপ: অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তচাপ স্ট্রোকের প্রধান ঝুঁকির কারণ। এটি রক্তনালীগুলোর ক্ষতি করে এবং এগুলোর ব্লকেজ বা ফেটে যাওয়ার জন্য আরও সংবেদনশীল করে তোলে।

২. ধূমপান: ধূমপান রক্তনালীগুলোর ক্ষতি করে এবং রক্ত জমাট বাঁধার কারণে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে।

৩. ডায়াবেটিস: রক্তনালী ও স্নায়ুর সম্ভাব্য ক্ষতির কারণে ডায়াবেটিস রোগীদের স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি থাকে।

৪. উচ্চ কোলেস্টেরল: এলডিএল কোলেস্টেরলের উচ্চমাত্রা ধমনীতে প্লাগ তৈরি করতে পারে এবং ব্লকেজ এর ঝুঁকি বাড়ায়।

৫. অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশন: অ্যাট্রিয়াল ফাইব্রিলেশনের মতো অনিয়মিত হার্টের ছন্দের কারণে হৃৎপিণ্ডে রক্ত জমাট বাঁধতে পারে, যা মস্তিষ্কে পৌঁছে স্ট্রোকের কারণ হতে পারে।

৬. স্থূলতা: অতিরিক্ত ওজন ও শারীরিকভাবে নিষ্ক্রিয় হওয়া ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপের মতো পরিস্থিতি তৈরি করে, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

৭. পারিবারিক ইতিহাস: স্ট্রোক বা হৃদরোগের পারিবারিক ইতিহাস থাকলে কিছুটা হলেও ঝুঁকি থাকে।

৮. এছাড়াও অতিরিক্ত মানসিক চাপ, হতাশা, ডিপ্রেশনের কারণেও স্ট্রোক হতে পারে।

ডিপ্রেশন

লক্ষণ

স্ট্রোক এর লক্ষণগুলো শনাক্ত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোগ নির্ণয়ে ‘FAST’ সাহায্য করতে পারে-

  • F: Face (মুখ)- মুখের একপাশে হঠাৎ দুর্বলতা বা ঝুঁকে পড়া
  • A: Arm (হাত)- উভয় হাত বাড়াতে বা উঁচু রাখতে অক্ষমতা
  • S: Speech (কথা বলা)- কথা জড়িয়ে যাওয়া অথবা সুসংগতভাবে কথা বলতে অসুবিধা
  • T: Time (সময়)- যদি কেউ এই লক্ষণগুলো অনুভব করে থাকে, অবিলম্বে তাকে হাসপাতালে নিয়ে চিকিৎসা শুরু করতে হবে

অন্যান্য সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে রয়েছে- গুরুতর মাথা ব্যথা, মাথা ঘোরা, হাঁটার ভারসাম্য বা সমন্বয় নষ্ট হওয়া এবং হঠাৎ করে দৃষ্টি সমস্যা বা চোখে ঝাপসা দেখা।

রোগ নির্ণয়

স্ট্রোকের ক্ষতি কমানোর জন্য প্রাথমিক রোগ নির্ণয় এবং দ্রুত চিকিৎসা অপরিহার্য। চিকিৎসকরা স্ট্রোকের ধরন ও তীব্রতা নির্ধারণ করতে বিভিন্ন পরীক্ষা ও ইমেজিং কৌশল ব্যবহার করেন।

১. সিটি স্ক্যান: একটি কম্পিউটেড টমোগ্রাফি (CT) স্ক্যান দ্রুত মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণ এবং মস্তিষ্কের ক্ষতির পরিমাণ শনাক্ত করতে পারে।

২. এমআরআই: ম্যাগনেটিক রেজোন্যান্স ইমেজিং (এমআরআই) মস্তিষ্কের বিশদ চিত্র প্রদান করে, ক্ষতিগ্রস্ত জায়গা নির্ণয় করতে সাহায্য করে।

চিকিৎসা পদ্ধতি

স্ট্রোকের চিকিৎসা নির্ভর করে এটি ইস্কেমিক স্ট্রোক (রক্ত জমাট বাঁধার কারণে) নাকি হেমোরেজিক স্ট্রোক (মস্তিষ্কে রক্তপাতের কারণে), সেটার উপরে।

ইস্কেমিক স্ট্রোক

১) উপসর্গ শুরু হওয়ার কয়েক ঘণ্টার মধ্যে রোগী হাসপাতালে আসার পর চিকিৎসক শিরায় থ্রম্বোলাইটিক্স (টিপিএ-এর মতো ক্লট-বাস্টিং ওষুধ) দিতে পারে।

২) কিছু ক্ষেত্রে শারীরিকভাবে ক্লট অপসারণের জন্য থ্রম্বেক্টমি করতে পারেন।

৩) ভবিষ্যতে জমাট বাঁধা প্রতিরোধ করার জন্য অ্যান্টিপ্লেটলেট বা অ্যান্টিকোয়াগুল্যান্ট ওষুধ নির্ধারিত করে দিতে পারেন।

৪) উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ও হাই কোলেস্টেরল থাকলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

উচ্চ রক্তচাপ এর মেডিসিন

হেমোরেজিক স্ট্রোক

১) রক্তপাত বন্ধ করতে, জমাট বাঁধা অপসারণ বা ক্ষতিগ্রস্ত রক্তনালী রিপেয়ারের জন্য অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন হতে পারে। ২) রক্তপাত রোধ, খিঁচুনি কমিয়ে আনার জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধ দিতে হবে। ৩) নিবিড় পর্যবেক্ষণের প্রয়োজন হতে পারে।

উভয় ধরনের স্ট্রোকের ট্রিটমেন্টের জন্য প্রয়োজন অনুসারে ফিজিওথেরাপি, স্পিচ থেরাপি ও অকুপেশনাল থেরাপি অন্তর্ভুক্ত থাকতে পারে।

আপনি বা আপনার পরিচিত কেউ যদি স্ট্রোকের লক্ষণগুলো অনুভব করেন, যেমন হঠাৎ অসাড়তা, বিভ্রান্তি, কথা বলতে সমস্যা, দৃষ্টি সমস্যা, তীব্র মাথা ব্যথা, বা হাঁটতে সমস্যা হলে অবিলম্বে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অপরিহার্য। মস্তিষ্কের ক্ষতি কমাতে স্ট্রোকের চিকিৎসা নেওয়া খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

ফিজিওথেরাপি

ফিজিওথেরাপি

স্ট্রোকের রোগীকে ২৪ ঘন্টার মধ্যে চিকিৎসকের পরামর্শে ফিজিওথেরাপি দেওয়া হলে রোগী দ্রুত উন্নতির পথে আসতে পারে। স্ট্রোকের ধরন ও মাত্রা, বয়স, রক্তচাপ, ডায়াবেটিস ইত্যাদি প্যারামিটারের উপর নির্ভর করে কোন রোগী কতদিনে ভালো হবে। কিছু রোগী ভালো কন্ডিশনে থাকেন। যেমন- কথা বলতে পারেন, নিজে খেতে পারেন। অনেকে কোনো একদিকের হাত-পা নাড়াতে পারেন না, এক্ষেত্রে ফিজিওথেরাপিস্ট দিয়ে ব্যায়াম করাতে হবে অথবা তাদের কাছ থেকে ব্যায়াম শিখে নিতে হবে।

যারা কথা বলতে পারেন না, বুঝতে পারেন না, নল দিয়ে খাওয়ানো হচ্ছে বা ক্যাথেটারের মাধ্যমে ইউরিন পাস করানো হচ্ছে অথবা শুয়ে থেকে পেছনে ঘা হয়েছে অথবা আক্রান্ত অঙ্গে প্রচন্ড ব্যথা; তাদের নিয়ে স্বাভাবিকভাবেই পরিবারের অন্যান্য মেম্বারদের টেনশন হয়। যেহেতু রোগীর উন্নতি হবে ধীরে ধীরে এবং পর্যায়ক্রমে, তাই প্রাথমিকভাবে যা করতে হবে তা হলো-

রোগীকে এপাশ-ওপাশ করিয়ে দিতে হবে, ধরে বসাতে হবে, পিঠে যাতে ঘা না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। প্রয়োজনে এয়ারবেড দিতে হবে।

সুস্থ জীবনযাপন করা কি সম্ভব?

স্ট্রোকের রোগীদের নিয়মিত ব্যায়াম করা উচিত। প্রতিদিন সম্ভব না হলে, কমপক্ষে সপ্তাহে তিন দিন ব্যায়াম অবশ্যই করতে হবে। এতে রোগী পুনরায় স্ট্রোকের ঝুঁকি মুক্ত থাকতে পারেন। সেই সাথে সাথে রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা, লবণ কম খাওয়া ও পরিমিত খাবার গ্রহণের অভ্যাস ম্যান্ডেটরি। নিয়মিত চিকিৎসা ও ব্যায়াম চালিয়ে গেলে সুস্থ জীবনযাপন করা সম্ভব।

স্ট্রোক প্রতিরোধ করা যায় কীভাবে?

বিশেষ করে যদি ঝুঁকির কারণ বা স্ট্রোকের পারিবারিক ইতিহাস থাকে, সেক্ষেত্রে বাড়তি সতর্কতা মেনে চলা উচিত। স্ট্রোক এর কারণ তো আমরা আগেই জেনে নিয়েছি। ঝুঁকি কমাতে নিচের পদক্ষেপ অনুসরণ করতে পারেন।

স্বাস্থ্যকর খাবার বেছে নিন
ফল, সবজি, শস্যদানা, লো স্যাচুরেটেড ফ্যাট ও সোডিয়াম সমৃদ্ধ সুষম খাদ্য গ্রহণ করুন। স্বাস্থ্যকর খাবার
রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করুন

নিয়মিত আপনার রক্তচাপ পরীক্ষা করুন এবং উচ্চ রক্তচাপ ব্যবস্থাপনার জন্য আপনার চিকিৎসকের পরামর্শ অনুসারে মেডিসিন গ্রহণ করুন।

ধূমপান ত্যাগ করুন

ধূমপান পরিত্যাগ স্ট্রোকের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে হ্রাস করে। অতিরিক্ত অ্যালকোহল গ্রহণ রক্তচাপ বাড়াতে পারে এবং স্ট্রোকের ঝুঁকিও থাকে এক্ষেত্রে। তাই এই অভ্যাস বাদ দিতে হবে।

ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করুন
প্রয়োজনে খাদ্য, ব্যায়াম ও ওষুধের মাধ্যমে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
নিয়মিত ব্যায়াম করুন
সঠিক ওজন ধরে রাখতে ও ফিট থাকতে প্রতি সপ্তাহে কমপক্ষে ১৫০ মিনিট ব্যায়াম করুন।
প্রয়োজনীয় মেডিসিন গ্রহণ করুন

উচ্চ রক্তচাপ অথবা হাই কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণের জন্য নির্দেশিত মেডিসিন গ্রহণ করুন। অনেকে আছেন ঠিকমতো ওষুধ সেবন করেন না, গাফিলতি করেন! এই অভ্যাস পরিহার করুন।

অনেকেই স্ট্রোক আর হার্ট অ্যাটাককে সেইম মনে করেন। আসলে স্ট্রোক হলো ব্রেনের অসুখ আর হার্ট অ্যাটাক হৃৎপিণ্ডের সাথে রিলেটেড। স্ট্রোক এর কারণ আজ জেনে নিলেন। ধরন অনুযায়ী চিকিৎসার ক্ষেত্রেও ভিন্নতা আছে। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত নিয়ে রোগীর জীবন বাঁচাতে সহায়তা করুন। স্ট্রোক এর ঝুঁকির কারণগুলো প্রতিরোধ করে, হেলদি লাইফস্টাইল মেনটেইন করে স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা কমিয়ে আনতে পারেন। আসুন সবাই সচেতন হই, সুস্থ থাকি।

লেখা- মাহমুদা আক্তার রোজী, জেরিয়াট্রিক ফিজিওথেরাপিস্ট ছবি- সাটারস্টক

সম্পর্কিত লেখা

স্ট্রোকের লক্ষণ ও প্রতিরোধ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ জানা আছে কি?
সুস্থতা

স্ট্রোকের লক্ষণ ও প্রতিরোধ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যসমূহ জানা আছে কি?

বর্তমান সময়ে তরুণ বয়সে স্ট্রোকের সংখ্যা আশংকাজনকভাবে বেড়ে গেছে। মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে ব্যাঘাত ঘটলে বা কখনো রক্তনালি ফেটে গিয়ে রক্ত জমাট বেঁধে গেলে মস্...

হিট স্ট্রোক | কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে কতটুকু জানেন?
সুস্থতা

হিট স্ট্রোক | কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার সম্পর্কে কতটুকু জানেন?

হিট স্ট্রোক গরমের সময় বেশ কমন। আমাদের দেশে এপ্রিল থেকে জুন/জুলাই মাস পর্যন্ত এই রোগটি আকস্মিকভাবে ঘটার সম্ভাবনা থাকে। প্রচণ্ড গরমে মানুষের জীবন এখন ওষ...

হুট করেই রক্তচাপ বেড়ে গেলে কীভাবে সেটা কন্ট্রোল করা যায়?
সুস্থতা

হুট করেই রক্তচাপ বেড়ে গেলে কীভাবে সেটা কন্ট্রোল করা যায়?

আমাদের আশেপাশে অনেকেই উচ্চ রক্তচাপ জনিত রোগে ভুগছে। এটি খুবই পরিচিত রোগে পরিণত হয়েছে এখন। সময়মতো রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা না করা হলে, উচ্চ রক্তচাপ হার্ট...

প্রেগনেন্সিতে উচ্চ রক্তচাপের কারণে মা ও শিশুর কী ধরনের জটিলতা হতে পারে?
মা ও শিশু

প্রেগনেন্সিতে উচ্চ রক্তচাপের কারণে মা ও শিশুর কী ধরনের জটিলতা হতে পারে?

হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ, একটি সাধারণ মেডিকেল কন্ডিশন যাতে বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষ আক্রান্ত হচ্ছে। সেই উচ্চ রক্তচাপ যখন গর্ভাবস্থায় দেখা দেয়,...

আরও পড়ুন

ডায়াবেটিস কী, কত ধরনের হয়ে থাকে এবং এর চিকিৎসা কী হতে পারে?
সুস্থতা

ডায়াবেটিস কী, কত ধরনের হয়ে থাকে এবং এর চিকিৎসা কী হতে পারে?

এখনকার সময়ে ডায়াবেটিস খুব কমন একটি রোগ। আমাদের দেশে এই রোগে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা অনেক বেশি। শিশু থেকে বৃদ্ধ যে কোনো বয়সের মানুষেরই এই রোগ হতে পারে। এ...

উচ্চ রক্তচাপ | এড়িয়ে চলুন এই খাবারগুলো
সুস্থতা

উচ্চ রক্তচাপ | এড়িয়ে চলুন এই খাবারগুলো

উচ্চ রক্তচাপ আজকাল একটি সাধারণ স্বাস্থ্য সমস্যা। উচ্চ রক্তচাপ খুব অস্বাস্থ্যকর এবং সত্যিই বিপজ্জনক হতে পারে। আপনার যদি উচ্চ রক্তচাপ নির্ণয় হয়ে থাকে তা...

গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ | প্রি-এক্লাম্পসিয়ার কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা
মা ও শিশু

গর্ভাবস্থায় উচ্চ রক্তচাপ | প্রি-এক্লাম্পসিয়ার কারণ, লক্ষণ ও চিকিৎসা

একজন নারীর জীবনে সন্তান ধারণ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলোর মধ্যে অন্যতম। পুরো পরিবার নতুন অতিথির আগমনী বার্তার অপেক্ষায় থাকে। সন্তান ধারণ থেকে শুরু কর...

শিখে নিন রক্তচাপ মাপার কৌশল
সুস্থতা

শিখে নিন রক্তচাপ মাপার কৌশল

বিপদ বলে কয়ে আসে না। হাতের কাছেও সব সময় ডাক্তার পাবেন না। প্রয়োজনীয় কিছু কাজ আপনাকেও করতে হতে পারে বা করা উচিত , এতে অনেক সময় অনেক বড় বিপদ থেকেও বেঁচ...

আসছে গরমে অসুস্থতা নিয়ে সতর্ক হোন এখনই!
সুস্থতা

আসছে গরমে অসুস্থতা নিয়ে সতর্ক হোন এখনই!

শীত তো শেষ হয়েই গেলো। বসন্ত চলছে, আর কিছুদিন পরে চৈত্রের তীব্র রোদ্দুর এবং এর পরেই গ্রীষ্মকাল। বিশ্ব উষ্ণায়নের কারণে দিন দিন ঢাকাসহ সারাদেশে তাপমাত্রা...

ব্লাড প্রেশার মাপার সঠিক ও সহজ নিয়ম জানেন তো?
সুস্থতা

ব্লাড প্রেশার মাপার সঠিক ও সহজ নিয়ম জানেন তো?

রফিক সাহেব উচ্চ রক্তচাপের রোগী। নিয়মিত তাকে প্রেশার মাপতে হয়। ফার্মেসিতে প্রতিদিন প্রেশার মাপতে যাওয়া হয়ে উঠে না জন্য নিয়মিত প্রেশারও মাপা হয়ে উঠে না।...

…