থ্যালাসেমিয়া | কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার জানা আছে কী?

রোজেন · Aug 21, 2013 · 1 min read

থ্যালাসেমিয়া | কারণ, লক্ষণ ও প্রতিকার জানা আছে কী?

আমরা সবাই থ্যালাসেমিয়া নামটি শুনেছি কিন্তু হয়তো খুব কম মানুষই আছি যারা এর সাথে সম্পূর্ণভাবে পরিচিত। থ্যালাসেমিয়া হলো রক্তের এক ধরনের অসুস্থতা যা বংশগতভাবে আমাদের আক্রমণ করে। থ্যালাসেমিয়ার কারণে আমাদের শরীর সামান্য কিছু স্বাস্থ্যকর লাল রক্ত কণিকা উৎপন্ন করে এবং স্বাভাবিকের চেয়ে কম পরিমাণ হিমোগ্লোবিন তৈরি করে। হিমোগ্লোবিন হল লাল লোহিত কনিকায় নিহিত এক ধরনের প্রোটিন যা অক্সিজেন বহন করে। হিমোগ্লবিন লাল লোহিত কনিকার খুব প্রয়োজনীয় উপাদান। প্রত্যেক মানুষই হয় নরমাল না হয় থ্যালাসেমিয়া মেজর অথবা থ্যালাসেমিয়া মাইনরের অধিকারী হয়ে থাকেন। থ্যালাসেমিয়া মেজর তখন হয় যখন শিশু বাবা-মা ২ জনের কাছ থেকে ১টি করে মিউটেটেড জিনের (Mutated Gene) অধিকারী হয়। এসব শিশুরা স্বাভাবিক, পরিণত হিমোগ্লোবিন (Hemoglobin) তৈরিতে অক্ষম থাকে। থ্যালাসেমিয়া ট্রেইটকে (Thalassemia trait) মাঝে মাঝে থ্যালাসেমিয়া মাইনর হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। এরা বাবা-মা যেকোনো ১ জনের কাছ থেকে ত্রুটিপূর্ণ জিন গ্রহন করে। থ্যালাসেমিয়া মাইনর, থ্যালাসেমিয়া মেজর থেকে অনেকটা নিরাপদ। থ্যালাসেমিয়ার কারণে অ্যানিমিয়া (Anemia) দেখা দিতে পারে।

মাইনর ও মেজর থ্যালাসেমিয়া - shajgoj.com  

থ্যালাসেমিয়ার যত কথা

থ্যালাসেমিয়া হওয়ার কারণ

হিমোগ্লোবিন ২ ধরনের প্রোটিন দ্বারা তৈরি - আলফা গ্লোবিন ও বিটা গ্লোবিন। থ্যালাসেমিয়া তখনই হয় যখন এই ২টি প্রোটিন উৎপন্নে সাহায্যকারী জিনে কোন ত্রুটি দেখা দেয়।

থ্যালাসেমিয়া আবার ২ প্রকারের। একটি হচ্ছে আলফা থ্যালাসেমিয়া ও অন্যটি হচ্ছে বিটা থ্যালাসেমিয়া।

আলফা বিটা থ্যালাসেমিয়া - shajgoj.com

১. আলফা থ্যালাসেমিয়া তখন দেখা দেয় যখন আলফা গ্লোবিন প্রোটিনের (Alpha Globin Protein) সাথে সম্পর্কিত জিন পরিবর্তিত থাকে অথবা অনুপস্থিত থাকে।

২. আর যখন ত্রুটিপূর্ণ জিনগুলো বেটা গ্লোবিন প্রোটিন (Beta Globin Protein) উৎপন্নে বাঁধা দেয় তখন বেটা থ্যালাসেমিয়া হয়।

থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ

সাধারণত থ্যালাসেমিয়ার ধরণ আর তিব্রতার উপর লক্ষণ নির্ভর করে। কিছু কিছু শিশু জন্মগত ভাবেই থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ নিয়ে জন্মায়। আবার কেউ তার জন্মের ২ বছরের মধ্যে লক্ষণ দেখানো শুরু করে।

চোখের রঙ হলদে হয়ে যাওয়া থ্যালাসেমিয়ার লক্ষণ - shajgoj.com

১. অল্পতেই শরীর অবসন্ন হয়ে যাওয়া।

২. দুর্বলতা অনুভব করা।

৩. চেহারা ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া।

৪. মুখের হাড়ে অস্বাভাবিকতা দেখা যায়।

৫. ইউরিনের রঙ গাঢ় হয়ে যাওয়া (লাল লোহিত কনিকা ভেঙ্গে যাওয়ার লক্ষণ) ও চোখের রঙ হলদে হয়ে যাওয়া।

৬. খাওয়াতে অরুচি দেখা দেয়।

থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসার কারণে শারীরিক অন্যান্য জটিলতা

বর্তমানে চিকিৎসা বিজ্ঞান অনেক এগিয়ে গেছে আর সেই সাথে মাঝারি থেকে প্রকট ধরনের থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসাও বর্তমানে সম্ভব হচ্ছে। কিন্তু সব কিছুরই পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া যে আছে তা মেনে নিতেই হবে।

১. হার্ট এবং লিভারের অসুখ

থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসার কারণে হার্ট জনিত রোগ হতে পারে - shajgoj.com

নিয়মিত ব্লাড ট্রান্সফিউশন (Transfusion) থ্যালাসেমিয়ার চিকিৎসার একটি প্রধান উপায়। ফলে রক্তে আয়রন ওভারলোড হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। এতে অর্গান এবং টিস্যুর ক্ষতি হয়ে থাকে। বিশেষ করে হার্ট ও লিভার। হার্টের অসুখের মধ্যে অন্যতম হলো হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিওর (Heart failure), আর্থিমিয়াস (Arrhythmias).

২. ইনফেকশন

থ্যালাসেমিয়ার রোগীদের মৃত্যুর আরেকটি কারণ হল ইনফেকশন। বিশেষ করে যাদের স্প্লিন (Spleen) শরীর থেকে কেটে ফেলতে হয়েছে তাদের মধ্যে এই ঝুঁকি অনেক বেশি। কারণ ইনফেকশনের সাথে যুদ্ধরত অঙ্গটি আর শরীরে অবস্থান করছে না।

৩. অস্টিওপোরোসিস

থ্যালাসেমিয়া আছে তাদের অস্টিওপোরোসিস হয় - shajgoj.com

যেসব মানুষদের থ্যালাসেমিয়া আছে তাদের মধ্যে হাড়ের সমস্যা যেমন অস্টিওপোরোসিস (Osteoporosis) দেখা দেওয়ার সম্ভাবনা বেশি। এটি এমন এক সমস্যা যার ফলে শরীরের হাড় ক্ষয় হয়ে ভঙ্গুর হয়ে যায়।

থ্যালাসেমিয়া ডায়াগনোসিস

ব্লাড টেস্টের মাধ্যমে থ্যালাসেমিয়ায় সনাক্তকরণ - shajgoj.com

ব্লাড টেস্টের মাধ্যমে আপনি থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত কিনা তা নির্ধারণ করা সম্ভব। ব্লাড টেস্টের অন্তর্ভুক্ত হল কমপ্লিট ব্লাড কাউন্ট আর স্পেশাল হিমোগ্লোবিন টেস্ট।

যদি আপনার সন্তান থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হয়ে থাকে তাহলে তার ব্লাড টেস্টে নিম্ন লিখিত পরিবর্তনগুলো দেখা যাবেঃ

১. অপর্যাপ্ত লোহিত রক্ত কনিকা।

২. স্বাভাবিকের চেয়ে ছোট রক্ত কনিকা।

৩. ফ্যাকাসে লাল লোহিত কনিকা।

৪. লাল লোহিত কণিকাগুলোতে আনইভেন হিমোগ্লোবিন দেখা যাবে, যার ফলে কোষটি মাইক্রোস্কপের (Microscope) নিচে দেখতে বুলস আই (bull's-eye) এর মত লাগবে।

থ্যালাসেমিয়া জিন এবং প্রেগন্যান্সি

থ্যালাসেমিয়ার প্রলক্ষণ - shajgoj.com

১. সন্তান যদি বাবা-মা ২ জনের কাছ থেকে ২টি স্বাভাবিক জিন গ্রহণ করে তাহলে স্বাভাবিক রক্তের অধিকারী হবে।

২.সন্তান যদি ২ জনের মধ্যে যে কোন ১ জনের কাছ থেকে স্বাভাবিক জিন এবং আরেকজনের কাছ থেকে ভ্যারিঅ্যান্ট (Variant) জিন গ্রহণ করে তাহলে এটি থ্যালাসেমিয়ার প্রলক্ষণ।

৩. আবার সন্তান যদি বাবা-মা ২ জনের কাছ থেকেই একটি একটি করে থ্যালাসেমিয়ার জিন গ্রহণ করে তাহলে মাঝারি থেকে প্রবল আকারের থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হতে পারে।

থ্যালাসেমিয়া আক্রান্তদের জন্য কিছু ঘরোয়া উপায়

আসলে থ্যালাসেমিয়ায় আক্রান্ত হলে তেমন কোন ঘরোয়া উপায় নেই এটি প্রতিরোধের জন্য। কিন্তু অবস্থার যেন আরও অবনতি না ঘটে সেটার জন্য আমরা আমাদের লাইফ স্টাইলে কিছু পরিবর্তন আনতে পারি।

১. অতিরিক্ত আয়রন গ্রহন না করা

অতিরিক্ত আয়রন গ্রহন থেকে বিরত থাকা। যতদিন না ডাক্তার আপনাকে রেকমেন্ড করে ততদিন আয়রন সমৃদ্ধ ভিটামিন গ্রহণ করবেন না।

২. স্বাস্থ্যসম্মত খাদ্য

থ্যালাসেমিয়ার হলে ফলিক এসিড আছে এমন খাদ্য গ্রহণ - shajgoj.com

ব্যালেন্সেড ডায়েট যা পুষ্টিগুণে ভরপুর এমন খাদ্য খাওয়া উচিত। এতে আপনার এনার্জি লেভেল বজায় থাকবে। চিকিৎসকেরা সাধারণত ফলিক এসিড (Folic Acid) গ্রহণের পরামর্শ দিয়ে থাকেন, এতে আপনার শরীরে নতুন রক্ত কনিকা তৈরি হয়। এছাড়াও দেহের হাড়ের সুরক্ষার জন্য পর্যাপ্ত পরিমাণে ভিটামিন ডি আর ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার গ্রহণ করতে হবে।

৩. ইনফেকশন থেকে দূরে থাকুন

নিজেকে ইনফেকশন থেকে নিরাপদ রাখার জন্য সব সময় সাবান দ্বারা হাত পরিষ্কার করুন বিশেষ করে আপনার শরীর থেকে যদি স্প্লিন কেটে বাদ দেওয়া হয়ে থাকে এবং জ্বর সর্দি বা ছোঁয়াচে অসুখে অসুস্থ মানুষের কাছ থেকে দূরে থাকুন। মেনিন জাইটিস (Menin Zytis) , হেপাটাইটিস বি এর ভ্যাকসিন গ্রহণ করুন ইনফেকশন থেকে বাঁচার জন্য।

৪.গর্ভধারণের পূর্বে টেস্ট

গর্ভধারণের পূর্বে থ্যালাসেমিয়ার আছে কিনা তার জন্য ব্লাড টেস্ট - shajgoj.com

যদি একজন মহিলা অথবা তার স্পাউসের বংশে থ্যালাসেমিয়ার হিস্ট্রি থেকে থাকে তাহলে গর্ভধারণের আগে অবশ্যই ব্লাড টেস্ট করা উচিত। রক্ত পরীক্ষা আর ফ্যামিলি জেনেটিক পর্যবেক্ষণ করে জানা যাবে ২ জনের কেউ থ্যালাসেমিয়ার শিকার অথবা ক্যারিয়ার কিনা।

৫.বিয়ের আগেই ব্লাড টেস্ট

যদিও এই পদ্ধতি আমাদের সমাজে এখনও প্রচলিত নয়, তবুও আমাদের উচিত নিজেদের ভবিষ্যৎ বংশধরদের স্বার্থে বিয়ের আগে হবু বর এবং বউয়ের রক্ত পরীক্ষা করা।

তবে আশার কথা হচ্ছে গবেষকরা থ্যালাসেমিয়া প্রতিকারের জন্য স্টাডি করে যাচ্ছেন। খুব শিগগির হয়তো ষ্টীম সেল Steam Cell) আর জিন থেরাপির (Gene Therapy) মাধ্যমে এর প্রতিকার সম্ভব হবে।

ছবি - সংগৃহীত: ইএস.স্লাইডশেয়ার.নেট, প্যাথফি.ওআরজি, লুপস্কোপ.কম, পিনটারেস্ট.কম, ১২৩আরএফ.কম, হেলথ.কোডিফি.কম, কুকিস্ট.কম, জাস্টডায়েল.কম, পিকডো.কম, থ্যালাসেমিয়া.ওআরজি.সিওাই

সম্পর্কিত লেখা

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের আগে হবু দম্পতির টেস্ট করানো কতটা জরুরি?
সুস্থতা

থ্যালাসেমিয়া প্রতিরোধে বিয়ের আগে হবু দম্পতির টেস্ট করানো কতটা জরুরি?

রাহেলা জামান বেশ কয়েক দিন ধরে লক্ষ্য করছেন যে, ইদানিং থ্যালাসেমিয়া নিয়ে বেশ কথা হয়। রাহেলা থ্যালাসেমিয়া সমস্যা সম্পর্কে খুব বেশি কিছু জানেন না। শুধু জ...

জিনগত ত্রুটির কারণে শিশুদের কোন রোগগুলো হতে পারে?
মা ও শিশু

জিনগত ত্রুটির কারণে শিশুদের কোন রোগগুলো হতে পারে?

একটি সুস্থ সবল শিশুর জন্ম সকল পরিবারেরই কাম্য। কিন্তু জন্মগতভাবে অনেক শিশুই বিভিন্ন রকম ত্রুটি নিয়ে পৃথিবীতে আসে। অনেকেই একে পাপের শাস্তি বা কপাল দোষ...

ভিটামিন সি vs আলফা আরবুটিন | ব্রাইটেনিংয়ের জন্য কোনটি বেশি কার্যকর?
ত্বকের যত্ন

ভিটামিন সি vs আলফা আরবুটিন | ব্রাইটেনিংয়ের জন্য কোনটি বেশি কার্যকর?

স্কিন ব্রাইটেনিংয়ের জন্য ভিটামিন সি আর আলফা আরবুটিন দু’টোই বেশ ভালো অপশন। ব্রাইটেনিং মানে এই না যে স্কিন রাতারাতি একদম ফর্সা হয়ে যাবে। বরং স্কিন হবে...

হাই ব্লাড প্রেশার | হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে ১০টি সহজ সমাধান
সুস্থতা

হাই ব্লাড প্রেশার | হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ প্রতিরোধে ১০টি সহজ সমাধান

হাই ব্লাড প্রেশার হাইপারটেনশন বা উচ্চ রক্তচাপ নামেও পরিচিত। এই কন্ডিশন তখনি সৃষ্টি হয় যখন আর্টারিতে রক্তের অনেক প্রেশার থাকে। একজন ব্যক্তির ব্লাড প্র...

আরও পড়ুন

ব্লাড ক্যান্সারের এই উপসর্গগুলো এড়িয়ে যাচ্ছেন না তো?
স্বাস্থ্য

ব্লাড ক্যান্সারের এই উপসর্গগুলো এড়িয়ে যাচ্ছেন না তো?

ক্যান্সার এক ঘাতক রোগের নাম। মানব দেহের অনেক রকম ক্যান্সারের মধ্যে ব্লাড ক্যান্সার অন্যতম। এটি হেমাটোলজিক্যাল ক্যান্সার নামেও পরিচিত। ব্লাড ক্যান্সারে...

আলফা আরবুটিন | স্পটলেস ও ব্রাইট স্কিনের জন্য ম্যাজিকাল ইনগ্রেডিয়েন্ট
ত্বকের যত্ন

আলফা আরবুটিন | স্পটলেস ও ব্রাইট স্কিনের জন্য ম্যাজিকাল ইনগ্রেডিয়েন্ট

আপনার স্কিন কেয়ার রুটিনে আপনি হয়তো একটি সঠিক ইনগ্রেডিয়েন্ট খুঁজছেন যেটা স্কিনের উজ্জ্বলতা বাড়াবে, ডার্ক স্পটস ফেইড করবে, হাইপার পিগমেন্টেশন কমাবে। কিন...

রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া | কারণ ও প্রতিরোধে ১২টি খাদ্যাভ্যাস
সুস্থতা

রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া | কারণ ও প্রতিরোধে ১২টি খাদ্যাভ্যাস

রক্তশূন্যতা বা অ্যানিমিয়া আমাদের দেশের নারীদের কাছে একটি অতি পরিচিত নাম। শুধু নারী কেন পুরুষেরাও অ্যানিমিয়ার শিকার হয়ে থাকেন। তবে সার্ভেতে দেখা গিয়েছ...

ব্রেইন টিউমার | মস্তিষ্কের জটিল এই রোগ সম্পর্কে কতটুকু জানেন?
সুস্থতা

ব্রেইন টিউমার | মস্তিষ্কের জটিল এই রোগ সম্পর্কে কতটুকু জানেন?

ব্রেইন টিউমার হলো একটি জটিল শারীরিক অবস্থা, যা ব্রেইনের সেলের অস্বাভাবিক বৃদ্ধির কারণে হয়ে থাকে। এই অস্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্রেইনের যে কোনো অংশে হতে পারে,...

আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড (AHA) এর অ্যামেজিং স্কিন বেনিফিটস!
ত্বকের যত্ন

আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড (AHA) এর অ্যামেজিং স্কিন বেনিফিটস!

উজ্জ্বল ও তারুণ্যদীপ্ত ত্বক আমরা সবাই চাই। এজন্য কত ধরনের স্কিনকেয়ার প্রোডাক্টই আমরা ইউজ করি! ‘আলফা হাইড্রক্সি অ্যাসিড বা Alpha Hydroxy Acid (AHA)’ না...

…